




পুষ্টি উপাদান | আনুমানিক পরিমাণ | উপকারিতা |
|---|---|---|
প্রোটিন | ১৮% – ২২% | মাংসপেশি গঠন ও শক্তি বৃদ্ধি |
হেলদি ফ্যাট | ৪৫% – ৫২% | ব্রেইন ও হার্টের জন্য উপকারী |
ওমেগা ৩ ও ৬ | ২% – ৫% | মস্তিষ্ক ও ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে |
ডায়েটারি ফাইবার | ৬% – ৯% | হজম শক্তি উন্নত করে |
কার্বোহাইড্রেট | ১২% – ১৮% | শরীরে দ্রুত এনার্জি দেয় |
ন্যাচারাল সুগার | ৪% – ৮% | মধু ও তাল মিছরির প্রাকৃতিক মিষ্টতা |
ভিটামিন E | ৮% – ১২% | ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট |
এনার্জি | ৯০–১১০ ক্যালোরি | দীর্ঘসময় শক্তি দেয় |

কোনো চিনি, তেল বা কোনো প্রিজারভেটিভ ছাড়া ঘরোয়াভাবে, হাইজিন মেন্টেইন করে প্রস্তুত করা হয়।
প্রোটিন, ভিটামিন সমৃদ্ধ, সুগার ফ্রি, ফিটনেস লাভারদের জন্য আদর্শ!
প্রতিটি পণ্য তৈরিতে দেওয়া হয় আন্তরিকতা ও যত্ন — যা স্বাদে বোঝা যায়।
আমরা সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারী করে থাকি এবং ক্যাশঅন ডেলিভারী সুবিধা।


পিনাট বাটার প্রোটিন, হেলদি ফ্যাট, ফাইবার ও প্রয়োজনীয় ভিটামিনে সমৃদ্ধ। এটি শরীরে এনার্জি যোগায়, দীর্ঘসময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং দৈনন্দিন পুষ্টির ঘাটতি পূরণে সহায়ক।
সাধারণত ১ বছরের পর থেকে অল্প পরিমাণে পিনাট বাটার খাওয়ানো যায়। তবে প্রথমবার দেওয়ার সময় অ্যালার্জির বিষয়টি খেয়াল রাখা উচিত।
পরিমিত পরিমাণে খেলে এটি স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। কারণ এতে থাকা প্রোটিন ও হেলদি ফ্যাট দীর্ঘসময় ক্ষুধা কম অনুভব করায়।
দিনের শুরুতে পিনাট বাটার শরীরে দীর্ঘস্থায়ী এনার্জি দেয় এবং দ্রুত ক্ষুধা লাগা কমায়। ব্যস্ত জীবনযাপনে এটি একটি সহজ ও পুষ্টিকর অপশন।
রুটি, পাউরুটি, টোস্ট, কলা, ওটস, স্মুদি, বিস্কুট, ফল বা শেকের সাথে খুব সহজেই খাওয়া যায়।
পিনাট বাটারে থাকা প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট শরীরের এনার্জি বাড়াতে এবং মাংসপেশি রিকভারি সাপোর্ট করতে সাহায্য করে।
চিনি ছাড়া বা কম চিনিযুক্ত ন্যাচারাল পিনাট বাটার পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা ভালো।
একদম না। এটি ন্যাচারাল পিনাট বাটারের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য। খাওয়ার আগে ভালোভাবে নেড়ে নিলেই আবার আগের মতো হয়ে যাবে।
এটি সুস্বাদু, পেট ভরানো এবং দ্রুত এনার্জি দেয়। তাই স্কুল টিফিনের জন্য এটি অনেক অভিভাবকের পছন্দ।
হ্যাঁ, পরিমিত পরিমাণে খেলে এটি ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে এবং অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতা কমায়।
সাধারণত ঢাকার ভিতরে ১–২ দিন এবং ঢাকার বাইরে ২–৪ দিনের মধ্যে ডেলিভারি সম্পন্ন হয়।